খুঁজুন
advertisement
advertisement
বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২০ কার্তিক, ১৪৩৩

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ, জীবন বাঁচাতে যা করবেন

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ২০ অক্টোবর ২০২৬, ৩:৩১ পূর্বাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ, জীবন বাঁচাতে যা করবেন

যোগফল প্রতিবেদক: 

হঠাৎ হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে জীবন বাঁচাতে প্রতিটি মুহূর্ত গুরুত্বপূর্ণ। কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের কারণে কেউ অচেতন হয়ে পড়লে এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে দ্রুত সঠিক পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি সহায়তা চাওয়ার পাশাপাশি দ্রুত কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন (সিপিআর) শুরু করা এবং প্রয়োজনে স্বয়ংক্রিয় বহিঃস্থ ডিফিব্রিলেটর (এইডি) ব্যবহার রোগীর জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট কী?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হলো এমন একটি জরুরি অবস্থা, যখন হৃদ্‌যন্ত্র হঠাৎ কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করতে ব্যর্থ হয় বা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে মস্তিষ্কসহ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোতে অক্সিজেনযুক্ত রক্ত সরবরাহ ব্যাহত হয়। দ্রুত চিকিৎসা না পেলে রোগী অচেতন হয়ে পড়তে পারেন এবং মৃত্যুও হতে পারে।

হার্ট অ্যাটাক ও কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট এক নয়। হার্ট অ্যাটাকের ক্ষেত্রে সাধারণত হৃদ্‌যন্ত্রের কোনো অংশে রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে, কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে হৃদ্‌যন্ত্রের কার্যকরভাবে রক্ত সঞ্চালন বজায় রাখার ক্ষমতা হঠাৎ বন্ধ হয়ে যায়। হার্ট অ্যাটাক থেকে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হতে পারে।

রোগী অচেতন হয়ে পড়লে কী করবেন?

কেউ হঠাৎ অচেতন হয়ে পড়লে প্রথমে তাঁর কাঁধে আলতো চাপ দিয়ে সাড়া দেওয়ার বিষয়টি দেখুন এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিচ্ছেন কি না, তা পরীক্ষা করুন। হাঁসফাঁস করা বা অনিয়মিত শ্বাসকে স্বাভাবিক শ্বাস হিসেবে ধরে নেওয়া যাবে না।

রোগী সাড়া না দিলে এবং স্বাভাবিকভাবে শ্বাস না নিলে কার্ডিয়াক অ্যারেস্ট হয়েছে বলে সন্দেহ করুন। দ্রুত জরুরি সহায়তার জন্য ৯৯৯ নম্বরে ফোন করুন। আশপাশে কেউ থাকলে তাঁকে অ্যাম্বুল্যান্সের ব্যবস্থা করতে এবং এইডি থাকলে সেটি নিয়ে আসতে বলুন।

কীভাবে সিপিআর দেবেন?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সন্দেহ হলে জরুরি সহায়তা আসার অপেক্ষায় বসে না থেকে বুকের ওপর চাপ দেওয়ার মাধ্যমে সিপিআর শুরু করুন। সম্ভব হলে জরুরি সেবার ফোন অপারেটরের নির্দেশনা অনুসরণ করুন।

প্রাপ্তবয়স্ক রোগীর ক্ষেত্রে সিপিআর দেওয়ার নিয়ম হলো—

  • রোগীকে শক্ত ও সমতল জায়গায় চিত করে শোয়ান।

  • বুকের মাঝখানে, বুকের হাড়ের ওপর এক হাতের তালুর গোড়া রাখুন। অন্য হাতটি তার ওপর রাখুন।

  • কনুই সোজা রেখে বুকের ওপর জোরে ও দ্রুত চাপ দিন।

  • প্রতি মিনিটে ১০০ থেকে ১২০ বার চাপ দিন এবং বুক প্রায় ৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার গভীর পর্যন্ত চাপুন।

  • প্রতিবার চাপ দেওয়ার পর বুককে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে দিন।

  • প্রশিক্ষণ জানা থাকলে ৩০ বার বুক চাপ দেওয়ার পর দুবার মুখে শ্বাস দিন। প্রশিক্ষণ না থাকলে বা মুখে শ্বাস দিতে না পারলে একটানা বুক চাপ দিতে থাকুন।

এইডি পাওয়া গেলে যন্ত্রটির নির্দেশনা অনুসরণ করুন। চিকিৎসাকর্মী দায়িত্ব নেওয়া, রোগীর স্বাভাবিক শ্বাস ফিরে আসা অথবা শারীরিকভাবে আর চালিয়ে যেতে না পারা পর্যন্ত সিপিআর চালিয়ে যান।

তবে কেউ অচেতন হলেও স্বাভাবিকভাবে শ্বাস নিলে তাঁর বুকের ওপর চাপ দেওয়া উচিত নয়। এ ক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসা সহায়তা নিন এবং শ্বাসপ্রশ্বাস পর্যবেক্ষণ করুন।

হার্ট অ্যাটাকের কোন লক্ষণগুলো অবহেলা করবেন না?

বুকে ব্যথা বা চাপ, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডা ঘাম, বমি বমি ভাব, বমি, মাথা ঘোরা কিংবা হঠাৎ দুর্বলতা হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ হতে পারে। ব্যথা হাত, পিঠ, ঘাড় বা চোয়ালেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। সবার ক্ষেত্রে একই ধরনের লক্ষণ দেখা যায় না।

এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিলে গ্যাস বা বদহজম ভেবে অপেক্ষা করা বিপজ্জনক হতে পারে। দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিন। রোগীকে নিজে গাড়ি চালিয়ে হাসপাতালে যেতে দেবেন না। অ্যাসপিরিনসহ কোনো ওষুধ দেওয়ার আগে জরুরি সেবার কর্মী বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

কেন প্রতি সেকেন্ড গুরুত্বপূর্ণ?

কার্ডিয়াক অ্যারেস্টের সময় মস্তিষ্ক ও শরীরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গে রক্ত ও অক্সিজেন সরবরাহ ব্যাহত হয়। এ কারণে দ্রুত সিপিআর শুরু করা এবং প্রয়োজন হলে এইডি ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। যত দ্রুত জরুরি চিকিৎসা শুরু করা যায়, রোগীর বেঁচে থাকার সম্ভাবনা তত বাড়তে পারে।

পরিবারের সদস্যদের সিপিআর প্রশিক্ষণ থাকলে জরুরি মুহূর্তে তাঁরা দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারবেন। তবে সিপিআর চূড়ান্ত চিকিৎসার বিকল্প নয়; জরুরি চিকিৎসাকর্মীরা পৌঁছানো পর্যন্ত এটি জীবন বাঁচানোর গুরুত্বপূর্ণ একটি ব্যবস্থা।

তানজিলা / অনলাইন ডেস্ক / যোগফল.কম

পীরগঞ্জে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পীরগঞ্জে  "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) অনুষ্ঠিত

ছবি যোগফল প্রতিনিধি

মো. আরফান আলী | পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 

পীরগঞ্জে গুড নেইবারস বাংলাদেশ-এর উদ্যোগে ‘চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৪ নভেম্বর বুধবার উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে পীরগঞ্জে শিশুদের সূরক্ষা ও অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গুড নেইবারস বাংলাদেশ, পীরগঞ্জ সিডিপির (Pirganj CDP) আয়োজনে "Child Safety Net Campaign" (চাইল্ড সেফটি নেট ক্যাম্পেইন) শীর্ষক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এই বারে  প্রতিপাদ্য বিষয় ছিল—"শিশুর সুরক্ষা, আমাদের অঙ্গীকার"।  

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা গোলাম রাব্বানী সরদার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান করেণ ঠাকূরগাঁও -৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুর রহমান,  সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জিয়াউর ইসলাম জিয়া, মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা জিন্নাতারা ইয়াসমিন, প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানে বক্তারা শিশুদের নিরাপত্তা, অধিকার এবং তাদের সুরক্ষায় সমাজের সকল স্তরের মানুষকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয় বিভিন্ন দপ্তরের প্রতিনিধি, আয়োজক সংস্থার কর্মকর্তা, সুধীবৃন্দ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১১:০৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
পাইকগাছায় নাশকতা, জু/য়াসহ বিভিন্ন মামলায় আটক- ১৪

ছবিতে গ্রেফতারকৃরা

পাইকগাছা (খুলনা) প্রতিনিধি:

খুলনার পাইকগাছায় থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে নাশকতা, জুয়া ও অন্যান্য মামলায় মোট ১৪ জনকে আটক করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে ও বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের গড়েরআবাদ এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। এসআই নুরে আলমের নেতৃত্বে সঙ্গীয় অফিসার ফোর্স অভিযান চালিয়ে টাকার বিনিময়ে তাস খেলার সময় ছয়জনকে আটক করে। এ সময় জুয়ার টাকা ও খেলার সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

আটক ব্যক্তিরা হলেন-মৃত আবতাপ গাজীর ছেলে রশিদ গাজী (৫৫), আবুল কাসেমের ছেলে আমিরুল (৩৮), মৃত সামাদের ছেলে সফিকুল (৬০), জব্বার গাজীর ছেলে আব্দুর রহমান, জনাব মোল্লার ছেলে খানজাহান মোল্লা (৬২) এবং জামান মোল্লার ছেলে সাইফুল (৩৫)। এ ঘটনায় পাইকগাছা থানায় জুয়া আইনে মামলা হয়েছে। মামলার নম্বর ৪/২৬।

এদিকে, মঙ্গলবার রাতে নগরশ্রীরামপুর গ্রামের আব্দুল মজিদ হাজরার ছেলে হরিঢালী ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মুজাহিদুল হাজরা (৪৮) এবং বুধবার সকাল ১১টার দিকে গদাইপুর ইউনিয়নের রফিকুল ইসলামের ছেলে ছাত্রলীগের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য মো. ফারজাহান পারভেজ ওরফে রুমি (২৫)-কে নাশকতা মামলায় আটক করা হয়েছে বলে জানিয়ে পুলিশ।

অন্যদিকে, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে পরোয়ানাভুক্ত ও অন্যান্য মামলায় আরও ছয়জনকে আটক করা হয়েছে।

পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ আব্দুল আউয়াল কবির আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মাদক ও জুয়া নির্মূলে পুলিশ সুপারের কঠোর নির্দেশনা বাস্তবায়নে পাইকগাছা থানা পুলিশ সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।

সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

বার্তা বিভাগ
প্রকাশিত: ৪ নভেম্বর ২০২৬, ১০:২৮ অপরাহ্ণ প্রতিবেদকের সকল নিউজ
সিরাজগঞ্জে এসআরবি-১২ এর অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার

ছবিতে অভিযানে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ

মনজুরুল ইসলাম ।। সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি

আত্মসমর্পণকারী চরমপন্থীদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটেলিয়ন (এসআরবি-১২)। উদ্ধার করা সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র ও ৮টি ওয়াকিটকি সেট। তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্যের আত্মসমর্পণের পর তাঁদের দেওয়া তথ্য এবং নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এসব অভিযান পরিচালনা করা হয়।

বুধবার (৪ নভেম্বর) সকালে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাহিনীর অধিনায়ক অতিরিক্ত আইজিপি আতিকুর রহমান মিয়া।

তিনি জানান, গত রোববার (১ নভেম্বর) এসআরবি-১২-এর পৃষ্ঠপোষকতায় সিরাজগঞ্জ, পাবনা ও রাজবাড়ী জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করে স্বাভাবিক জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও বাহিনীর নিজস্ব গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরবর্তী সময়ে অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চালানো হয়।
এসআরবি-১২ অধিনায়ক বলেন, সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা এবং পাবনা জেলার সাঁথিয়া ও আতাইকুলা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়েছে।

উদ্ধার করা ১০৩টি দেশি-বিদেশি আগ্নেয়াস্ত্রের পাশাপাশি ১ হাজার ১৩৬ রাউন্ড তাজা গুলি, ১৫টি ম্যাগাজিন, ৯৫টি দেশীয় অস্ত্র এবং ৮টি ওয়াকিটকি সেট উদ্ধার করা হয়েছে। তবে এসব আগ্নেয়াস্ত্রের ধরন, উৎস ও সংশ্লিষ্ট অপরাধী চক্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়নি।
আত্মসমর্পণে নতুন প্রত্যাশা।

এর আগে ১ নভেম্বর দুপুরে এসআরবি-১২-এর সদর দপ্তরে ‘নতুন পথে প্রত্যাবর্তন—চরমপন্থি সর্বহারা সদস্যদের আত্মসমর্পণ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিন জেলার ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মিজ্ ফারজানা শারমিন।
আত্মসমর্পণকারীরা চরমপন্থী কর্মকাণ্ড থেকে সরে এসে স্বাভাবিক ও শান্তিপূর্ণ জীবনে ফেরার অঙ্গীকার করেন। তাঁদের পুনর্বাসন ও সমাজের মূলধারায় ফিরিয়ে আনার উদ্যোগও এ কর্মসূচির অন্যতম লক্ষ্য।

দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থী তৎপরতার ইতিহাস রয়েছে এমন জনপদে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ। আত্মসমর্পণকারীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধারের এ অভিযান ওই অঞ্চলে অবৈধ অস্ত্রের সন্ধান ও অপরাধী নেটওয়ার্ক শনাক্তের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। একই সঙ্গে চরমপন্থীদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারের সমন্বিত উদ্যোগ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা জোরদার করেছে।